Pages

Friday, March 25, 2016

Merchandise Inventory মজুদ পণ্য

          Perpetual Inventory System (অবিরত মজুদ পদ্ধতি)

 Purchase Related

i) For purchase Merchandise inventory on credit  (ধারে মজুদ ক্রয়ের জন্য)
  Merchandise Inventory Dr
                      Account Payable Cr
(To record purchase Merchandise Inventory on credit)

ii) For purchase Merchandise  inventory for cash ( নগদে মজুদ ক্রয় করার জন্য)
  Merchandise Inventory Dr
                       Cash  Cr
(To record purchase Merchandise  inventory for cash)

iii)  For freight in ( নগদে পরিবহনের জন্য)
Merchandise Inventory Dr
                    Cash Cr
(To record paid cash For freight in)
 
iv) For purchase return & Allowance
 পূর্বে নগদে ক্রয় করা হয়েছিল
Cash Dr
             Merchandise Inventory Cr
(To record purchase return & Allowance)
পূর্বে ধারে ক্রয় করা হয়েছিল
Account Payable Dr
                  Merchandise Inventory Cr
(To record purchase return & Allowance)

v) Paid cash to Account Payable within discount period. (বাট্টাকৃত সময়ের মধ্যে পাওনাদারদের পরিশোধ)
Account Payable Dr
                 Merchandise Inventory Cr
                 Cash Cr
(Paid cash to Account Payable within discount period.)

vi) Paid cash to Account Payable without discount period. (বাট্টাকৃত সময়ের বাইরে পাওনাদারদের পরিশোধ)
Account Payable Dr
              Cash Cr
(To record Paid cash to Account Payable without discount period.)

Sales Related

i) Sold Merchandise Inventory on credit (ধারে মজুদ বিক্রয় বলায়)
Account Receivable Dr
              Sales Cr
(To recordSold Merchandise Inventory on credit)

For cash of goods sold (বিক্রিত পণ্যের ব্যয়ের জন্য)
Cost of goods sold Dr
               Merchandise Inventory Cr
(To record cash of goods sold)

ii) Paid freight out   (বিক্রয় পরিবহনের জন্য)
Freight out Dr
            Cash Cr
(To record Freight out)

iii) Sales Return and Allowance
পূর্রে নগদে বিক্রয়
Sales Return Dr
            Account Receivable Cr
(To record Sales Return)
পূর্রে ধারে বিক্রয়
Sales Return Dr
            Account Receivable Cr
(To record Sales Return and Allowance)

iv) Received Cash from Account Receivable within discount period  (বাট্টাকৃত সময়ের মধ্যে টাকা প্রাপ্তি হলে)
Cash Dr
Sales Discount Dr
              Account Receivable Cr
(To record Sales Return and Allowance)

v) Received Cash from Account Receivable without discount period.(বাট্টাকৃত সময়ের মধ্যে টাকা বাহিরে প্রাপ্তি হলে)
Cash Dr
Account Receivable Cr
Merchandise Inventory
Merchandise Inventory
( Received Cash from Account Receivable without discount period )

Sunday, March 20, 2016

জাবেদার কতিপয় নিয়মাবলি

# নগদে সেবা প্রদান করলে
Cash  Dr
        Service Revenue  Cr
#ধারে সেবা প্রদান করলে
Account Receivable  Dr
             Service Revenue  Cr

Thursday, March 10, 2016

পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতাগুলো বা অসুবিধাগুলো আলোচনা কর ?

পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনার মূল ভিত্তি। পরিকল্পনার বহু সুবিধা থাকা সত্বেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নিম্নে পরিকল্পনার সীমাবদ্ধতা বা অসুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো।

১. নির্ভুলভাবে পূর্ব অনুমানের সমস্যা
পরিকল্পনা অনুমানের উপর ভিত্তি করে গ্রহণ করা হয়। অনুমান যে সব সময়ে সঠিক হবে তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই ভবিষ্যৎ অনুমান ঠিক না হলে পরিকল্পনাও ঠিক হয় না।

২.দ্রুত পরিবর্তনের সমস্যা
ব্যবসাযের অবস্থা দ্রুত পরিবর্তন হয ফলে কার্য পদ্ধতিরও পরিবর্তনের প্রযোজন হয। নতুন নতুন পরিস্থিতি উদ্ভব হলে পরিকল্পনা অচল হযে পরে।

৩. পরিকল্পনার ব্যয়
পরিকল্পনা প্রণয়ন একটি ব্যয়বহুল কার্যক্রম। পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়। অনেক সময়ে প্রাপ্ত  লাভের চেয়ে ব্যয় অধিক হযে থাকে।

৪. সময়সাপেক্ষ
পরিকল্পনা প্রণয়ন এটি সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রতিষ্ঠানের অনেক সময় নষ্ট হয়।

৫. কর্মস্পৃহা দমন
পরিকল্পনা প্রকৃতপক্ষে কর্মীদের উৎসাহ উদ্দীপনা স্তিমিত করে দেয়। একটি উৎকৃষ্ঠ পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেও তা প্রযোগ করার উপায থাকে না। পৃর্ব পরিকল্পিত পথেই তাদের যন্ত্রচালিত মত কাজ করতে হয়।


৬. অনমনীয়তা
 পরিকল্পনায় নমনীয়তা আনা সহজ হয় না।

৭. মিথ্যা নিরাপত্তাবোধ সৃষ্ঠি
পরিকল্পনা অনেক সময়ে মিথ্যা নিরাপত্তাবোধ সৃষ্ঠি করে।

৮. সংশোধনজনিত সমস্যা
পরিকল্পনায় অনেক সময় ক্রুটিযুক্ত থেকে যায় এই ক্রুটিগুলো সংশোধনে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।  এতে কোন কোন সময়ে পরিকল্পনা অসমাপ্ত থেকে যায়।

৯. উদ্যেগ গ্রহণে বাধা দান
পরিকল্পনার ফলে কর্মীদের উদ্যমহীন করে তুলতে পারে এবং অনেক সময়ে কর্মীকে উদ্যেগ গ্রহণে বাধা দান করতে পারে।

১০. দ্রত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা দান
প্রতিষ্ঠানে অনেক সময় দ্রত সিদ্ধান্তের প্রযোজন হয় কিন্তু পরিকল্পনা প্রণিত কার্যে দ্রত সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধা দান করে।

১১. পৌনঃপুনিকতার অভাব
স্থায়ীপরিকল্পনার প্রযোগের ক্ষেত্রেও পৌনঃপুনিক কার্যের উপস্থিত একান্ত অপরিহার্য। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে কার্যের পৌনঃপুনিকতা বজায থাকে না। এতে স্থায়ী পরিকল্পনার কার্যকারীতা হ্রাস পায়।

১২ ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কার্যে বিঘ্নতা
পরিকল্পনা প্রণয়নে ভুল ত্রুটি থাকলে  ব্যবস্থাপনার অন্যান্য কার্যে বিঘ্নতা দেখা দেয়।

Wednesday, March 9, 2016

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কি?

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পাকিস্তান আমলে পূর্ব পাকিস্তানে দায়ের করা একটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা। তৎকালীন পাকিস্তান সরকার আওয়ামী লীগ নেতা ও পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানসহ ৩৫ জন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেছিল। ১৯৬৮ সালের প্রথম ভাগে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ করা হয় যে, শেখ মুজিব ও অন্যান্যরা ভারতের সাথে মিলেপাকিস্তানের অখন্ডতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এই মামলাটির পূর্ণ নাম ছিল রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবর রহমান গং মামলা। তবে এটি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা হিসাবেই বেশি পরিচিত, কারণ মামলার অভিযোগে বলা হয়েছিল যে, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় কথিত ষড়যন্ত্রটি শুরু হয়েছিল। মামলা নিষ্পত্তির চার যুগ পর মামলার আসামী ক্যাপ্টেন এ. শওকত আলী ২০১১ সালে প্রকাশিত একটি স্বরচিত গ্রন্থে এ মামলাকে সত্য মামলা' বলে দাবী করেন।
তথ্যসূত্র
Wikipedia.org


আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা পাকিস্তান সরকার ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মরত ও প্রাক্তন সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করে তা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে পরিচিত। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে, তারা ভারত সরকারের সহায়তায় সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। ভারতের ত্রিপুরার আগরতলা শহরে ভারতীয় পক্ষ ও আসামি পক্ষদের মধ্যে এ ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে মামলায় উল্লেখ থাকায় একে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বলা হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে এ মামলা এবং এর প্রতিক্রিয়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের তীব্র আন্দোলনের মুখে পাকিস্তান সরকার অচিরেই মামলাটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র
banglapedia.org

Tuesday, March 8, 2016

শরিফ শিক্ষাকমিশন কি?

শরিফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টে বহু বিষয়ের মধ্যে যে সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো এবং যেসকল বিষয়ের কারণে এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ সংঘটিত হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয়সমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো–

০১. শিক্ষা কমিশনের রিপোর্টে ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়। বলা হয় যে, জাতীয় জীবনে ইংরেজি ভাষার গুরুত্ব রয়েছে। এতে ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ডিগ্রি পর্যায় পর্যন্ত কারিকুলামে ইংরেজি ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক চালু করার সুপারিশ করা হয়।

০২. পাকিস্তানে যে সকল ভাষা রয়েছে সেসকল ভাষার জন্য অভিন্ন বর্ণমালা প্রণয়নের সুপারিশ করা হয়। অর্থাৎ, বাংলা ভাষা বাংলা বর্ণমালায় না
লিখে আরবি অথবা রোমান বা উর্দু বর্ণমালায় লেখার সুপারিশ করা হয়। একইসাথে বাংলা বর্ণামালার সংস্কারের সুপারিশও করা হয়।

০৩. তৎকালীন সময়ে ডিগ্রি পর্যায়ের শিক্ষাকোর্স দুই বছরে সমাপ্ত হতো। কমিশনের রিপোর্টে এই কোর্সের মেয়াদ তিন বছর করার সুপারিশ করা হয়।

০৪. এই কমিশনের রিপোর্টে যে বিষয়বস্তু সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে তা হলো, এই রিপোর্টে শিক্ষাকে 'অধিকার’ হিসেবে না দেখে শিক্ষাকে ‘বাণিজ্য’ হিসেবে দেখা হয়েছিল, অর্থাৎ শিক্ষাকে ব্যবসার কাতারে নামিয়ে আনা হয়েছিল। রিপোর্টে ‘অবৈতনিক শিক্ষার ধারণাকে অসম্ভব বলা হয়। এতে বলা হয়, “শিক্ষার জন্য জনসাধারণের নিকট হতে খুব সামান্যই অর্থসাহায্য পাওয়া গিয়াছে এবং আরো স্কুলের জন্য জনসাধারণ যতটা দাবি জানাইয়া থাকে ইহার অনুপাতে ব্যয় বহনের অভিপ্রায় তাহাদের কখনই দেখা যায় নাই।”

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাস, ১৮৩০ থেকে ১৯৭১; ড. মোহাম্মদ হাননান; আগামী প্রকাশন
https//:mongoldhoni.net/on-17-september-education-day/

Sunday, March 6, 2016

কম্পিউটার কাকে বলে এবং এর বৈশিষ্ট

কমপিউটারের সংঙ্গা 

কমপিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভান্ডোরে সুর্নিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নির্দেশাবলি সংরক্ষন করে রাখে।ব্যাবহার কারী ডেটা বা ইপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভারে কমপিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে।

কমপিউটারের কাজ

কমপিউটারের চারটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ নিচে উল্লেখ করা হলোঃ

১.সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ব্যবহারকারী কর্তৃক তৈরি প্রোগ্রাম কমপিউটার গৃহণ করে মেমোরিতে সংরক্ষণ করে এবং ব্যবহারকারীকে নির্দেশে কমপিউটার প্যোগ্রাম নির্বাহ করে।
২.কী-বোর্ড, মাউস, জয়স্টিক, ডিস্ক ইত্যাদিৃর মাধ্যমে কমপিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
৩. ওডটা প্রক্রিয়ারকরণ করে।
৪. মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার ইত্যাদির মাধ্যমে কমপিউটার ফলাফল প্রকাশ করে।

কমপিউটারের বৈশিষ্ট্য 
 ১.দ্রুতগতি 
২.নিভুলতা 
৩.সূক্ষ্মতা 
৪.বিশ্বসযোগ্যতা
 ৫.ক্লান্তিহীনতা 
৬. স্মৃতিশক্তি 
৭. স্বয়ংক্রিয়তা
 ৮. যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত
৯. বহুমুখিতা 
১০. অসীম জীবনীশক্তি

Thursday, March 3, 2016

ভাষা আন্দোলন সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ?

ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালের পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান গঠনের পর পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই পাকিস্তান সরকারে প্রাধান্য পায়। পাকিস্তান সরকার ঠিক করে উর্দু ভাষাকে সমগ্র পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা করা হবে, যদিও পূর্ব পাকিস্তানে উর্দু ভাষার চল ছিলো খুবই কম। পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষাভাষী মানুষ
(যারা সংখ্যার বিচারে সমগ্র পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ ছিলেন) এই সিদ্ধান্তকে মোটেই মেনে নিতে চায়নি। পূর্ব পাকিস্তানে বাংলাভাষার সম- মর্যাদার দাবীতে শুরু হয় আন্দোলন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর খাজা নাজিমুদ্দিন জানান যে পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়া হবে। এই ঘোষণারফলে আন্দোলন আরো জোরদার হয়ে ওঠে। পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে মিটিং-মিছিল ইত্যাদি বে-আইনি ঘোষণা করে। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে এই আদেশ অমান্য করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অনেক ছাত্র ও আরো কিছু রাজনৈতিক কর্মীরা মিলে একটি মিছিল শুরু করেন। মিছিল ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ-এর কাছে এলে পুলিস মিছিলের উপর গুলি চালায়। গুলিতে নিহত হন আব্দুস সালাম,রফিক, বরকত, জব্বার সহ আরো অনেকে। এই ঘটনার প্রতিবাদে সারা পূর্ব পাকিস্তানে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে ও তীব্র আকার ধারন করে। অবশেষে পাকিস্তান সরকার বাধ্য হয় বাংলা ও উর্দুভাষাকে সম-মর্যাদা দিতে। এই আন্দোলন পরবর্তীকালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বীজ বপন করে দিয়েছিল। এই আন্দোলনের স্মৃতিতে পরবর্তী কালে গড়ে তোলা হয় শহীদ মিনার, ঠিক সেই জায়গাতে যেখানে প্রাণ হারিয়েছিলেন রফিক, বরকত, জব্বাররা। ২১ ফেব্রুয়ারী দিনটি বাংলাদেশে শহীদ দিবস হিসাবে পালিত হয়। ১৯৯৯ সাল থেকে জাতিসংঘ ২১ ফেব্রুয়ারী তারিখটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছে।